কর্মসূচী সমূহঃ #২৭ শে রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম মাহফিল # ১০ই মাঘ ২৪ জানুয়ারী গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হযরত মওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (কঃ) এঁর ওরশ শরীফ # ২২ চৈত্র ৫ এপ্রিল গাউছুল আজম বিল বেরাছত কুতুবুল আকতাব হযরত মওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ গোলামুর রহমান প্রকাশ বাবা ভান্ডারী (ক) এঁর ওরশ শরীফ # ২৯ শে আশ্বিন ১৪ অক্টোবর গাউছুল আজম বিল বেরাছত কুতুবুল আকতাব হযরত মওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ গোলামুর রহমান প্রকাশ বাবা ভান্ডারী (ক) এঁর খোশরোজ শরীফ # প্রতি বুধবার বাদ মাগরিব চট্টগ্রাম খুলশীস্থ খানকা শরীফে মিলাদ,তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া ও জিকির মাহফিল # প্রতি শুক্রবার বাদ এশা মাইজভান্ডার শরীফে মিলাদ,তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া ও জিকির মাহফিল # ১০ই মুহর্‌রম শাহাদাতে কারবালা মাহফিল # আখেরী চাহার সোম্বা উপলক্ষে চট্টগ্রাম খুলশীস্থ খানকা শরীফে খতমে কোরআন ও খতমে বোখারী শরীফ # মাইজভান্ডারী তাসাউফ সংলাপ # বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচী # মাইজভান্ডারী সেমিনার। # গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (কঃ) মেধাবৃত্তি ।

সংবাদ শিরোনাম
  • ‘আল্লাহর সস্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম পন্থা উছুলে ছাবআ’Read more...
  • আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী (শাহ এমদাদীয়া)’র বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিতRead more...
  • মাইজভাণ্ডারে ওরশ উপলক্ষে রক্তদান কর্মসূচীRead more...
  • মাইজভাণ্ডারে ৭০০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদানRead more...
  • মাইজভান্ডার দরবার শরীফে ঈদে মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম অনুষ্ঠিতRead more...
  • মাইজভাণ্ডারে ওরশ উপলক্ষে মেধা বিকাশ শিক্ষা উৎসবRead more...
  • গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর চেহলাম অনুষ্ঠিতRead more...
  • আলী আসগর চৌধুরী আর নেই Read more...
  • মাইজভান্ডারে তাসাউফ সংলাপে বক্তারা-“তাসাউফ চর্চা মানুষের অন্তরাত্মাকে পরিশুদ্ধ করে”।Read more...
  • আখেরী মোনাজাতে সমাপ্ত মাইজভান্ডারে ১১৩তম ওরশ Read more...
  • মাইজভান্ডারে শিক্ষা উৎসব ও বিজ্ঞান মেলাRead more...
  • গাউছুল আজম মাইজভানডারীর ওরশ শুরু, লাখো ভক্তের ঢলRead more...
  • সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন মাইজভান্ডার’ কর্মসূচী Read more...
  • মাইজভান্ডারে টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, হেফজখানা ও পাঠাগার উদ্বোধন Read more...
  • মাইজভান্ডারে ১২০০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান Read more...
  • মাইজভান্ডারে শিক্ষা উৎসব ও বিজ্ঞান মেলাRead more...
  • মাইজভান্ডারে রক্তদান কর্মসূচী ও সেমিনার Read more...
  • তরিকত চর্চার উদ্দেশ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনRead more...
  • মাইজভান্ডারে দারুল ইরফান তাসাউফ সংলাপ অনুষ্ঠিতRead more...
  • মাইজভান্ডারী সেমিনার'১৬ অনুষ্ঠিত Read more...
  • মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা Read more...
  • গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত Read more...
  • ওলামা ও দারুত তায়ালীম’র প্রতিনিধি সম্মেলনRead more...

বিস্তারিত সংবাদ

আখেরী মোনাজাতে সমাপ্ত মাইজভান্ডারে ১১৩তম ওরশ

Date:2019-01-24

লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে মাইজভান্ডারদরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীহযরত মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) প্রকাশ হযরত কেবলার ১১৩তম ওরশ শরীফ। বুধবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হযরত মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী(ম.)। মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী(ম.)। মোনাজাতে তিনি বলেন, ‘অলিগণ রাসূলের প্রতিনিধি। তাদের কারণে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার ও প্রসার লাভ করেছে। ইসলামের ক্রান্তিলগ্নে সবসময় ছুফী সাধকরাই ধর্মের আধ্যাত্মিক ও শরীয়তের অবকাঠামোর রক্ষকের ভূমিকায় অবর্তীর্ণ করেছেন এবং ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারের পাশাপাশি ইসলামের মৌলিক আদর্শ ও বিশ্বাসের সাথে সমাজ সংস্কৃতির নৈতিক সংস্কারে আধ্যাত্মিক পূর্ণতা লাভের কারিগর হিসেবে কাজ করে আসছেন।’

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী বলেন, ‘গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী শাহ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) মাইজভান্ডারী ত্বরিকা প্রবর্তন করেছেন। মাইজভান্ডারী ত্বরিকা ইসলামের মৌলিক আদর্শ ও আঞ্চলিক সংস্কৃতির মেল বন্ধনের চূড়ান্ত আধ্যাত্মিক রূপ। এ ত্বরিকার অনুসারীরা ঐশি প্রেম নির্ভর শিক্ষা ও ইসলামী শরীয়ত ভিত্তিক চর্চায় কার্যকর ভূমিকা রাখছে।’ আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী(শাহ এমদাদীয়া) কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সচিব শেখ মুহাম্মদ আলমগীরের পরিচালনায় ওরশে মিলাদ পরিচালনা করেন দারুততায়ালীম প্রধান শিক্ষক মওলানা জয়নাল আবেদীন ছিদ্দিকী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, খান এগ্রো প্রোডাক্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দুল হক খান, মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, কো-চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম চৌধুরী। সোমবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয় তিন দিনব্যাপী এ ওরশ। ওরশ উপলক্ষে পুরো মাইজভান্ডার এলাকাকে বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজানো হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিদেশ থেকে ওরশে এসেছেন আশেকান-ভক্তরা।

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী(ম.)’র আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় ভক্তরা মাজারের আশপাশ ছাড়াও বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী ক্যাম্পে অবস্থান নেন। তাঁরা মাজার জেয়ারত, বিশেষ মোনাজাত, জিকির, জিকিরে ছেমাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সময় পার করেন। বাংলাদেশ ছাড়াও এ বছর ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ওমানসহ নানা দেশ থেকে অসংখ্য ভক্ত-অনুরক্ত অংশ নিয়েছেন।

ওরশ উপলক্ষে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম-নাজিরহাট রুটে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করে। আগত ভক্তদের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার এবং মাইজভান্ডার ওরশ শরীফ সুপারভিশন কমিটির বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও মাইজভান্ডারীস্পেশাল ফোর্স (এমএসএফ) দায়িত্ব পালন করে।

ওরশ উপলক্ষে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, গাড়ি পার্কিংসহ অতিথিদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে থাকা, সময়মতো জামাত সহকারে নামাজ আদায়, বিশুদ্ধ পানীয় জল, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন, আলোকসজ্জা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসহ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ব্যবস্থা করা হয়। নায়েব সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী ও মাইজভান্ডারীফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী(ম.) ওরশ শরীফের সার্বিক বিষয় তত্ত্বাবধান করেন।

সুষ্ঠুভাবে ওরশ সমাপ্ত করতে সহযোগিতা করায় ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, স্বেচ্ছাসেবকেদর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী(ম.)। এছাড়া ওরশ উপলক্ষে রক্তদান কর্মসূচী, শিক্ষামেলা, বৃত্তিপ্রদান, গ্রিন ও ক্লিন মাইজভান্ডার, সুধী সমাবেশ ও তাসাউফ সংলাপসহ ১০ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী(শাহ এমদাদীয়া), মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশন, মাইজভান্ডারী শাহ এমদাদীয়া ব্লাড ডোনার্স গ্রুপ, মাইজভান্ডারীশাহ এমদাদীয়া সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটি। এছাড়া গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর ওরশ উপলক্ষে পৃথক বাণী প্রদান করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী রওজায় চড়ানো হয়েছে গিলাপ

Date:2019-01-23

মাইজভান্ডার দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী শাহ ছুফী মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) প্রকাশ হযরত কেবলার ১১৩তম ওরশ শরীফ উপলক্ষে তার মাজার শরীফে গিলাপ চড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারি) মাইজভান্ডার দরবার শরীফে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী শাহ ছুফী মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.)’র রওজা শরীফে গিলাপ চড়ান সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত আলহাজ্ব মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (ম.) ও নায়েব সাজ্জাদানশীন সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী (ম.)।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খান অ্যাগ্রো প্রোডাক্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দুল হক খান, মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, কো-চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম চৌধুরী।

সোমবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ওরশ। ওরশ উপলক্ষে পুরো মাইজভান্ডার এলাকাকে বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিদেশ থেকে আসতে শুরু করেছেন আশেকান-ভক্তরা

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত আলহাজ্ব মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (ম.)’র আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় ভক্তরা মাজারের আশপাশে অস্থায়ী ক্যাম্পে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা মাজার জেয়ারত, বিশেষ মোনাজাত, জিকির, জিকিরে ছেমাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সময় পার করছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ওমানসহ নানা দেশ থেকে অসংখ্য ভক্ত-অনুরক্ত এসেছেন ওরশ উপলক্ষে।

নায়েব সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী ও মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী (ম.) ওরশ শরীফের সার্বিক বিষয় তত্ত্বাবধান করছেন। ওরশের প্রধান দিবস বুধবার দিবাগত রাত ১২.০১ মিনিটে গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিল শাহী ময়দানে ওরশ শরীফের আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত আলহাজ্ব মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (ম.)।

গাউছুল আজম মাইজভানডারীর ওরশ শুরু, লাখো ভক্তের ঢল

Date:2019-01-22

মাইজভান্ডার দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা গাউসুুল আজম শাহ ছুফী মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী প্রকাশ হযরত কেবলার ১১৩তম ওরশ শরীফকে কেন্দ্র করে ফটিকছড়ি মাইজভান্ডার দরবার শরীফে বসেছে লাখো ভক্তের মিলনমেলা।

সোমবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ওরশ। ওরশ উপলক্ষে পুরো মাইজভান্ডার এলাকাকে বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিদেশ থেকে আসতে শুরু করেছেন আশেকান-ভক্তরা।

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (ম.)’র আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় ভক্তরা মাজারের আশপাশে অস্থায়ী ক্যাম্পে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা মাজার জেয়ারত, বিশেষ মোনাজাত, জিকির, জিকিরে ছেমাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সময় পার করছেন।

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ওমানসহ নানা দেশ থেকে অসংখ্য ভক্ত-অনুরক্ত অংশ এসেছেন ওরশ উপলক্ষে।

ওরশ উপলক্ষে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম-নাজিরহাট রুটে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। আগত ভক্তদের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন,র‍্যাব, পুলিশ, আনসার এবং মাইজভান্ডার ওরশ শরীফ সুপারভিশন কমিটির বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও মাইজভান্ডারী স্পেশাল ফোর্স (এমএসএফ) দায়িত্ব পালন করছে।

নায়েব সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী ও মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী (ম.) ওরশ শরীফের সার্বিক বিষয় তত্ত্বাবধান করছেন। ওরশ উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সোমবার খতমে কোরআন, গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর জীবন, কর্ম, তাসাউফ নিয়ে আলোচনা ও সেমা মাহফিল আয়োজন করে আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) ও মাইজভান্ডারী শাহ এমদাদীয়া সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটি। ওরশের প্রধান দিবস বুধবার দিবাগত রাত ১২.০১ মিনিটে গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিল শাহী ময়দানে ওরশ শরীফের আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত আলহাজ্ব মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (ম.)।

সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন মাইজভান্ডার’ কর্মসূচী

Date:2019-01-21

পরিচ্ছন্ন মাইজভান্ডার গড়তে ও জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন মাইজভান্ডার’ কর্মসূচী পালিত হয়েছে। শনিবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে মাইজভান্ডার দরবার শরীফে এ কর্মসূচী পালন করা হয়।

মাইজভান্ডার দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী শাহ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) এর ১১৩ তম বার্ষিক ওরশ উপলক্ষে ১০ দিন ব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি নায়েব সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইভান্ডারী ও মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী(ম.)।

সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী বলেন, ‘পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ইমানের অঙ্গ। গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর ভক্ত-আশেকানরা ওরশ শরীফে আসবেন। মাইজভান্ডারকে পরিচ্ছন্ন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুধু মাইজভান্ডার নয় আমাদের আশেপাশে পরিবেশ পরিষ্কার রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের যুগ্ম-সচিব অধ্যাপক মেজবাউল আলম শৈবাল, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মহিউদ্দীন এনায়েত, জেলা কার্যকরী সংসদের প্রচার ও জনসংযোগ সম্পাদক শেখ শাকিল মাহমুদ, মাইজভান্ডারী শাহ এমদাদীয়া ব্লাড ডোনার্স গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেলসহ আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী(শাহ এমদাদীয়া)’র বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-সদস্য, মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-সদস্যরা।

এদিকে রোববার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী শাহ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) এর ১১৩ তম বার্ষিক ওরশ সফলভাবে সমাপ্ত করার লক্ষ্যে মাইজভান্ডার ওরশ শরীফ সুপারভিশন কমিটির উদ্যোগে ২০০ বিশেষায়িত সেবক ও ১ হাজার ৫০০ নিয়মিত সেবকের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাইজভান্ডারে টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, হেফজখানা ও পাঠাগার উদ্বোধন

Date:2019-01-19

মাইজভান্ডারদরবার শরীফে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হেফজখানা ও জ্ঞানভান্ডার পাঠাগার উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে মাইজভান্ডার দরবার শরীফে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করেন সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী আলহাজ্ব হযরত মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (ম.)।

মাইজভান্ডারদরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী শাহ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) এর ১১৩ তম বার্ষিক ওরশ উপলক্ষে ১০ দিন ব্যাপী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী(ম.)’র পৃষ্ঠপোষকতায় গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীহেফজখানা ও জ্ঞানভান্ডার পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী আলহাজ্ব হযরত মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (ম.) বলেন, ‘মানুষের কল্যাণে কাজ করা রাসূল (স.) এর আদর্শ। অলিগণ সেই আদর্শ আমাদের শিখিয়ে গেছেন। গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী শাহ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) উপমহাদেশে মাইজভান্ডারীতরিকার প্রবক্তা। তিনি মানবকল্যাণে আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন। ইসলামী শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে আমরা হেফজখানা চালু করেছি, দরিদ্র মানুষের কল্যাণে টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি এবং মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো পৌঁছে দিতে পাঠাগার স্থাপন করেছি।’

তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় মূল্যবোধ শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের বিবেক জাগ্রত হবে, হাতে কলমে শিক্ষার মাধ্যমে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নায়েব সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী ও মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী(ম.), মাইজভান্ডারীফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান ও ইন্টারপোর্ট শিপিং এজেন্ট লিমিটেডের পরিচালক ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, মাইজভান্ডারীফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক জহিরুল ইসলাম চৌধুরী।

আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সচিব শেখ মু. আলমগীরের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার আবদুল বাতেন, পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি তৌহিদুল আমিন ফাহাদসহ আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভান্ডারী(শাহ এমদাদীয়া), মাইজভান্ডারী ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-সদস্যরা। সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী আলহাজ্ব হযরত মওলানা শাহ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী(ম.)’র আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় আগামি ২৩ জানুয়ারি (১০ মাঘ) মাইজভান্ডারদরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হযরত মওলনা শাহ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) এর ১১৩ তম বার্ষিক ওরশ অনুষ্ঠিত হবে।

Latest News

আখেরী মোনাজাতে সমাপ্ত মাইজভাণ্ডারের মিলনমেলা

লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত মওলানা শাহছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) প্রকাশ হযরত কেবলার ১১৪তম ওরশ। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন হযরত মওলানা শাহছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)। মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।

সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী বলেন, ‘অলিগণ রাসূলের প্রতিনিধি। তাদের কারণে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার ও প্রসার লাভ করেছে। ইসলামের ক্রান্তি লগ্নে সবসময় ছুফীসাধকরাই ধর্মের আধ্যাত্মিক ও শরীয়তের অবকাঠামোর রক্ষকের ভূমিকায় অবর্তীর্ণ হয়েছেন। ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারের পাশাপাশি ইসলামের মৌলিক আদর্শ ও বিশ্বাসের সাথে সমাজ সংস্কৃতির নৈতিক সংস্কারে আধ্যাত্মিক পূর্ণতা লাভের কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ‘গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী শাহছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকা প্রবর্তন করেছেন। মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকা ইসলামের মৌলিক আদর্শ ও আঞ্চলিক সংস্কৃতির মেলবন্ধনের চূড়ান্ত আধ্যাত্মিক রূপ। এ ত্বরিকার অনুসারীরা ঐশি প্রেমনির্ভর শিক্ষা ও ইসলামী শরীয়তভিত্তিক চর্চায় কার্যকর ভূমিকা রাখছে।’

আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সচিব শেখ মুহাম্মদ আলমগীরের পরিচালনায় ওরশে মিলাদ পরিচালনা করেন দারুত তায়ালীম প্রধান শিক্ষক মওলানা জয়নাল আবেদীন ছিদ্দিকী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, খান অ্যাগ্রো প্রোডাক্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দুল হক খান, মাইজভাণ্ডারী ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন সৈয়দ সোহেল হাসনাত, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী ও সৈয়দ ফজলুল কাদের, আওলাদে গাউছুল আজম সৈয়দ এরহাম হোসাইন ও সৈয়দ মানাওয়ার হোসাইন।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয় তিন দিনব্যাপী ওরশ। ওরশ শরীফে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাইজভাণ্ডারে এসেছেন আশেক-ভক্তরা। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ওমানসহ নানা দেশ থেকে অসংখ্য ভক্ত-অনুরক্ত এসেছেন এবারের ওরশে। তারা মাজার জেয়ারত, বিশেষ মোনাজাত, জিকির, জিকিরে ছেমাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সময় পার করেন।

গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের নায়েব সাজ্জাদানশীন সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)’র সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাইজভাণ্ডার ওরশ শরীফ সুপারভিশন কমিটির বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও মাইজভাণ্ডারী স্পেশাল ফোর্স (এমএসএফ) দায়িত্ব পালন করেন। সুষ্ঠুভাবে ওরশ সমাপ্ত করতে সহযোগিতা করায় ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, স্বেচ্ছাসেবকেদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)।

এছাড়া গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারীর ওরশ উপলক্ষে পৃথক বাণী প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Read More News..

‘মাইজভান্ডারী প্রকাশনীর’ প্রকাশিত সুফিতাত্ত্বিক গ্রন্থাবলি

  • হযরত গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর জীবনী ও কেরামত (বাংলা ও ইংরেজী)
  • বেলায়তে মোত্‌লাকা
  • মূলতত্ত্ব বা তজকীয়ায়ে মোখতাছার
  • মিলাদে নববী ও তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া
  • বিশ্বমানবতায় বেলায়তের স্বরূপ
  • মানব সভ্যতা
  • মুসলিম আচার ধর্ম
  • আয়নায়ে বারী
  • মাইজভান্ডারী কায়দা
  • রত্ন ভান্ডার (১ম ও ২য় খন্ড)
  • জ্ঞানের আলো (ম্যাগাজিন)
  • আমালে মকবুলীয়া ফি ফয়উজাতে গাউছিয়া
  • তত্ত্বভান্ডার
  • জ্ঞানভান্ডার
  • শানে গাউছে মাইজভান্ডার
Download From here...
গাউছুল আজম হযরত মওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ) –এঁর বাণী

“তাহাজ্জুদের নামাজ পড়,ছালাতু তছবীহের নামাজ পড়িও, কোরান শরীফ তেলাওয়াত করিও।”

“কবুতরের মত বাছিয়া খাও। হারাম খাইও না, নিজ সন্তান সন্ততি নিয়া খোদার প্রশংসা কর ।”

সাজ্জাদানশীনে গাউছুল আজম হযরত সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী (কঃ)-এঁর বাণী

“গাউছে মাইজভান্ডারীর আদর্শ উর্ধে তুলিয়া ধরিলে বিশ্ববাসীর চোখ চট্টগ্রামের মাইজভান্ডার দরবার শরীফের দিকে ঘুরিয়া যাইবে।”

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম আলহাজ্ব হযরত সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ)-এঁর বাণী

“ঈমান ছাড়া এত্তেবা হয়না,এত্তেবা ছাড়া মোত্তাবেয়ীন হওয়া যায়না।”

মনীষীদের মন্তব্যে গাউছুল আজম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারীর (কঃ) মাহাত্ম্যঃ

সমসাময়িক ও পরবর্তি ছুফী ওলামায়ে কেরাম তাঁর প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাঁর গাউছে আজমিয়তের স্বীকৃতি দিয়েছেন-
“গাউছে মাইজভান্ডারীর নিঃশ্বাসের বরকতে পূর্বদেশীয় লোকেরা খোদা পন্থী ,হাল ও জজ্‌বার অধিকারী হয়েছে। তিনি কবরস্থ হওয়ার ফলে বিভিন্ন কবরে উজ্জ্বলতা ও জালালী দেখা দিয়াছে। আহমদ উল্লাহ যিনি, তিনি সমস্ত অলিদের সর্দার যাহার ‘ছিফত’ উপাধি গাউছুল আজম।”-মরহুম মওলানা জুলফিকার আলী সাহেব।

“হযরত শাহ্‌ আহমদ উল্লাহ কাদেরী,যিনি ভূখন্ডের পূর্বাঞ্চলে বিকশিত কুতুবুল আক্‌তাব। তিনি মাইজভান্ডার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত গাউছুল আজম নামধারী বাদশাহ।–
রসুলুল্লাহ (সঃ) এঁর নিকট বেলায়তে ওজমা বা শ্রেষ্ঠ বেলায়তের দুইটি সম্মান প্রতীক বা তাজ ছিল। এই সম্মান প্রতীক বা তাজ দুইটির মধ্যে একটি হযরত শাহ্‌ আহমদ উল্লাহ (কঃ) এঁর মস্তক মোবারকে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত।
যেই কারণে তিনি পূর্বাঞ্চলে আবির্ভূত গাউছুল আজম বলিয়া খ্যাত,সেই কারণে তাঁহার রওজা মোবারক মানব-দানবের জন্য খোদায়ী বরকত হাছেলের উৎসে পরিণত হইয়াছে। ”- ,আলহাজ্ব মওলানা ছৈয়দ আজিজুল হক আল কাদেরী ছাহেব (শেরে বাংলা)

Upcoming Events

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম রাহনুমায়ে শরীয়ত ও ত্বরিকত আলহাজ্ব হজরত মাওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ) এঁর আয়োজন ও ব্যবস্থাপনায় মাইজভান্ডার দরবার শরীফে ২৭ রবিউল আওয়াল ঈদে মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম।

১০ মাঘ ২৪ জানুয়ারী ২০২০ ইং গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী হজরত মাওলানা শাহ্‌ ছুফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (কঃ) এঁর ১১৪তম ওরশ শরীফ।

সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউছুল আজম রাহনুমায়ে শরীয়ত ও পীরে ত্বরিকত হযরত আলহাজ্ব মাওলানা শাহ্‌ ছুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (মঃ জিঃ আঃ) এঁর ব্যবস্থাপনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প।

গাউছিয়ত নীতি

১। তেলাওয়াতে অজুদঃ নির্জন সময়ে গত দিনের ভাল-মন্দ কাজ-কর্মের বিচার ,চিন্তা ও ধ্যানের মাধ্যমে মন্দের জন্য অনুতাপ, অনুশোচনা,ভালোর জন্য নিজ পীরের অনুগত্য এবং খোদার সাহায্য কামনা ,মোনাজাত ,বিনয়ে প্রার্থনা –অনিবার্য। ফলে খোদা পথচারী নাছুত্‌ভাব কামনার উর্ধে ‘লাওয়ামা’ ‘মলকুত’ শক্তি জগতে উত্থিত হইতে সক্ষম হয়। যাহাকে ছুফি পরিভাষায় ‘ফানা আনিল খালক্‌’ বলে।

২। অনর্থ পরিহারঃ যাহা না হইলে চলে ও উপকার বিহীন ,এহেন কাজ-কর্ম,কথাবার্তা,বাক্‌বিতন্ডা ত্যাগ ,পরিহার,এড়াইয়া চলা এবং পরের দোষ তালাস না করা ,পরমুখাপেক্ষীতা ও পরশ্রীকাতরতা – বিমুখ হইয়া ,নিজ শক্তি সামর্থে হালাল রুজির প্রতি আস্থাশীল হওয়া। অপচয় ,অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার-যথাঃপান,বিড়ি-সিগারেট,অলঙ্কার,অঙ্গ বিকৃতকারী পোষাক পরিচ্ছদ,পবিত্র কোরান যাহাকে ‘মর্হান’ অহংকারী ‘ফাখুরাণ’ গর্বকারী বলে নির্দেশ করেছে,যাহা মানবের দৈহিক ,নৈতিক অবনতি ঘটায়, কর্ম বিমুখতা,অভাব অনটন ,আর্থিক দুর্গতি আনয়ন করে। ভূষণ,ফ্যাসন,মোহের ফলে আদি অসভ্যতা ‘পছন্দ’ হইয়া পড়ে। সুতরাং এ সমস্ত পরিহারের ফলে খোদা পথচারী ‘ছালেক’ কোরানের বাণী “মান্নাহান্‌ নাফ্‌ছা আনিল হাওয়া ফাইন্নাল জান্নাতা হিয়াল মাওয়া” মতে নিশ্চিত স্বর্গবাসী, ইহাকে ছুফি পরিভাষায় বলে ‘ফানা আনিল হাওয়া’।

৩। সন্তোষঃ খোদার মঙ্গলদায়ক ইচ্ছা শক্তির নিকট নিজ সংসার স্বার্থ বুদ্ধিকে নত করিয়া মঙ্গলদায়ক রূপের ধ্যানে ‘ছাবের’ ধৈর্যের সহিত অপেক্ষা করা। যেহেতু স্রষ্টা সৃষ্টির রক্ষক,পালক,বর্দ্ধক,মঙ্গলদায়ক। ছুফি পরিভাষায় এই গুনজ প্রকৃতিকে বলে ‘তছলিম’ বা ‘রজা’। এই ত্রিবিধ নীতিমালাই ‘ফানায়ে ছালাছা’ বা বিনাশ পদ্ধতি । যাহা হযরত গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী কেবলার সপ্ত পদ্ধতির অন্তর্গত। প্রথম অংশ ‘এবাদাতে মোত্‌নাফিয়া’ হিসাবে ‘ছালেক’ খোদা পথচারীর জন্য অপরিহার্য। উপরোক্ত গাউছিয়ত নীতিহীন,বিমুখ ব্যক্তির মাইজভান্ডারী তরিকার অনুসারী দাবী করা চলেনা।

বিনীত
খাদেমুল ফোক্‌রা সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভান্ডারী
সাজ্জাদানশীন,গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিল,মাইজভান্ডার শরীফ,ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম। সুত্রঃমানব সভ্যতা